হাতে তৈরি বনসাই রকারি ফোয়ারা — বহতা জলের নিরিবিলি শব্দ, সবুজের ছোঁয়া আর পাথরের গাঁথুনিতে তৈরি এক শান্ত জগৎ, আপনার বসার ঘরে।
প্রতিটি পাথরের গঠন, প্রতিটি স্তর কারিগরের হাতে গড়া — তাই কোনো দুটো পিস হুবহু এক নয়।
নিরবচ্ছিন্ন জলপ্রবাহের মৃদু শব্দ ঘরের পরিবেশে এনে দেয় প্রশান্তি ও মনোযোগ।
আবহাওয়া-সহনশীল রেজিন ও পাথরের গঠন — ইনডোর ব্যবহারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ও নিরাপদ।
ভাঙাচোরার ঝুঁকি এড়াতে প্রতিটি ফোয়ারা বিশেষভাবে সুরক্ষিত প্যাকেজিং-এ পৌঁছে যায় আপনার দোরগোড়ায়।
প্যাকেজিং খুলে ফোয়ারা, পাম্প ও পাওয়ার ক্যাবল আলাদা করে বের করুন।
নিচের বেসিনে পাম্প ডোবার মতো পরিমাণ পরিষ্কার পানি দিন।
কনসোল টেবিল বা ডেস্কের মতো সমতল জায়গায় ফাউন্টেইনটি রাখুন।
পাওয়ার সংযোগ দিলেই শুরু হবে বহতা জলের প্রশান্তি।
RAJOKIYO-তে কোনো বাড়িয়ে বলা প্রতিশ্রুতি নেই। ছবিতে যেমন দেখছেন, প্রোডাক্ট হাতে পাবেন ঠিক তেমনই — সততা ও নিখুঁত কারুকাজের নিশ্চয়তাসহ।
না, ফাউন্টেইনের বেসিন ও পাথরের গঠন এমনভাবে তৈরি যাতে স্বাভাবিক ব্যবহারে পানি বাইরে না আসে। তবে যেকোনো ওয়াটার ফিচারের মতোই সমতল জায়গায় বসানো এবং নিয়মিত পানির লেভেল দেখে নেওয়া ভালো অভ্যাস।
পাম্পটি নিরিবিলি ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য তৈরি — সাধারণ কথাবার্তার মধ্যে এর শব্দ কানে লাগার মতো নয়, বরং জলপ্রবাহের মৃদু শব্দটাই মূল অনুভূতি তৈরি করে।
প্রতিটি ফাউন্টেইন একাধিক লেয়ারে সুরক্ষিত প্যাকেজিং-এ পাঠানো হয়। তারপরও ভাঙা অবস্থায় পৌঁছালে সরাসরি WhatsApp-এ জানালে রিপ্লেসমেন্ট নিয়ে সহায়তা করা হবে।
পাম্পটি ছোট মোটরের, তাই সারাদিন চালু রাখলেও বিদ্যুৎ খরচ নগণ্য — একটি সাধারণ নাইট-ল্যাম্পের কাছাকাছি।
WhatsApp অথবা সরাসরি ওয়েবসাইটে অর্ডার করা যায় — দুই ক্ষেত্রেই ক্যাশ অন ডেলিভারি (পণ্য হাতে পেয়ে টাকা) অথবা অনলাইন পেমেন্ট (কার্ড/bKash/Nagad/Rocket) বেছে নেওয়া যাবে। ঢাকার ভেতরে ও বাইরে কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি করা হয়।
RAJOKIYO বনসাই রকারি ফোয়ারা — হাতে তৈরি, প্রতিটি পিস স্বতন্ত্র
